সব গাইড · মোট ১৫টি

পড়া শুরু করুন কাঠামো দিয়ে, বার্ষিক হার দিয়ে নয়

সাইটের সব গাইড এখানে। সাজানো হয়েছে বিষয় অনুযায়ী, প্রকাশের তারিখ অনুযায়ী নয় — কারণ লেখাগুলো একে অপরের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, তাই ক্রম মেনে পড়লে এলোমেলোভাবে একটা বেছে নেওয়ার চেয়ে বেশি কাজে দেয়। একটাও পড়া না থাকলে প্রথমটা দিয়েই শুরু করুন।

টোকেনাইজড সম্পদ

৫টি লেখা · বিষয়-পাতা দেখুন

০১

টোকেনাইজড ট্রেজারির পূর্ণাঙ্গ গাইড: BUIDL, OUSG, USDY, BENJI — পার্থক্য কোথায়

একই নামের নিচে চারটি সম্পূর্ণ আলাদা কাঠামো। আয়ের পথ, বিনিয়োগকারীর যোগ্যতা আর দেউলিয়া হলে পাওনার ক্রম — ধরে ধরে খোলা।

Cornerstone
০২

আয়-দেওয়া স্টেবলকয়েনের আয় আসে কোথা থেকে: তিনটি সম্পূর্ণ আলাদা ইঞ্জিন

ট্রেজারি, বেসিস, ঋণের সুদের ব্যবধান। কোন বাজারে কোন ইঞ্জিন অচল হয়ে পড়ে — আর ভাঙার ধরনও আলাদা।

আয়ের ইঞ্জিন
০৩

ডিজিটাল গোল্ড না সোনার টোকেন: কেনার আগে দেখুন সোনাটা আসলে কার কাছে আছে

PAXG আর XAUT — কাস্টডিয়ান, রিডেম্পশনের সীমা, ধাতু হাতে নেওয়ার শর্ত আর খরচের কাঠামো দুই রকম নকশা। সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে কেনার আইনি অবস্থান, আর শরিয়াহ বিবেচনায় যে তিনটে ঘরে মতভেদ হয়।

তুলনা
০৪

টোকেনাইজড রিয়েল এস্টেটের ভাড়ার বাস্তবতা: টাকা হাতে আসার আগে চার স্তরে কাটা যায়

ভাড়াটের পকেট থেকে টোকেন-ধারকের হাত পর্যন্ত একটা ভাড়া যে যে স্টেশনে থামে আর প্রতিবার যা যা কাটা যায়।

বাস্তবতা
০৫

টোকেনাইজড প্রাইভেট ক্রেডিট: দুই অঙ্কের আয়ের উল্টো পিঠে কে খেলাপি হচ্ছে

ঋণগ্রহীতা কে, জামানত কী, ক্ষতি আগে কে শোষণ করে। বেশি বার্ষিক হার ঝুঁকির প্রিমিয়াম — দক্ষতার বোনাস নয়।

ঝুঁকি

ঝুঁকি ও যাচাই

৫টি লেখা · বিষয়-পাতা দেখুন

০৬

একটা RWA টোকেন কেনার আগে: ইস্যু-নথি পড়ে শেষ করার চোদ্দটি প্রশ্ন

ইস্যুকারীর আইনি সত্তা থেকে শুরু করে দেউলিয়া হলে পাওনার ক্রম পর্যন্ত — ধরে ধরে জিজ্ঞেস করে যাওয়ার মতো একটা তালিকা।

Cornerstone
০৭

RWA টোকেনের রিজার্ভ যাচাই করবেন কীভাবে: মাসিক রিপোর্ট থেকে অন-চেইন ঠিকানা, চার ধাপ

অ্যাটেস্টেশন (attestation) আর অডিট (audit) এক জিনিস নয়। কোন নথিতে কী দেখা যায়, আর কোনটা দেখা যায় না।

নিজে যাচাই
০৮

রিডেম্পশনে কত দিন লাগে, আর কখন সেটা বন্ধ হয়ে যায়

স্থগিতের শর্ত চার রকম ভাষায় লেখা হয়; কোনটা আপনাকে কতটা সুরক্ষা দেয়, আর কেনার আগে কোন পাঁচটা সংখ্যা টুকে রাখবেন।

শর্তাবলি
০৯

কাগজের দাম আর যে দামে বিক্রি হয়, দুটো এক নয়

দর দেখানো হয় এক ইউনিটের জন্য, আপনি বেচতে চান পুরো পজিশন। কেনার আগে স্লিপেজ মাপার হাতে-কলমে পদ্ধতি।

তারল্য
১০

টোকেনাইজড ট্রেজারিকে জামানত রাখা: আয় জমে, ঝুঁকিও জমে

কম-ঝুঁকির সম্পদ বন্ধক রেখে ধার নিয়ে আবার বিনিয়োগ — বাড়তি আয়ের বিনিময়ে আপনি আরও এক স্তর লিকুইডেশনের ঝুঁকি নেন।

লিভারেজ

কেনা ও ধরে রাখা

৫টি লেখা · বিষয়-পাতা দেখুন

১১

এক্সচেঞ্জ থেকে কেনা নাকি অন-চেইনে সরাসরি: দুই পথের শর্ত আর খরচ

দাম, যোগ্যতা আর কার ঝুঁকি আপনি নিচ্ছেন — দুই পথে তিনটিই আলাদা।

তুলনা
১২

বাইন্যান্স রেজিস্ট্রেশন ও পরিচয় যাচাইয়ের পুরো পথ: রেফারেল কোড কোথায় বসে, KYC আটকালে কী করবেন

রেজিস্ট্রেশন, দুই-ধাপের নিরাপত্তা, আর পরিচয় যাচাই ফেরত আসার সাধারণ কারণগুলো — ধাপে ধাপে।

ধাপে ধাপে
১৩

কিছু টোকেনাইজড ফান্ড আপনি কেন কিনতেই পারবেন না: তিনটি দরজা আলাদা করে দেখা

বিনিয়োগকারীর মর্যাদা, অঞ্চলভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা, হোয়াইটলিস্ট করা ঠিকানা — তিনটি আলাদা দরজা, তিনটিই পেরোতে হয়।

যোগ্যতা
১৪

বাংলাদেশে ক্রিপ্টো লেনদেনের রেকর্ড: কী কী রাখতে হয়, কেন রাখতে হয়

তারিখ, পরিমাণ, দর, ফি আর ট্রানজ্যাকশন হ্যাশ — কোন কাগজটা কেন লাগে। করের হার বা রিটার্ন জমার ধাপ এখানে নেই।

কর
১৫

বাইন্যান্সের RWUSD কি সত্যিই ট্রেজারি? “মূলধন সুরক্ষিত” কথাটার পেছনে আপনার হাতে আসলে কী থাকে

এটা চেইনের বাইরের কোনো সম্পদের মালিকানা নয় — এক্সচেঞ্জের খাতায় বসা একটা আয়-পণ্য। কার সঙ্গে আপনার লেনদেন, আর বিপদের দিনে আপনি সারিতে কোথায়।

কাঠামো

পড়ার পরে

নিজে কষে দেখা আর উৎস মিলিয়ে নেওয়া